• বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
উৎসব এলেই বাড়ে ভোগান্তি: বেপরোয়া যানবাহনে বিপর্যস্ত বরিশালের বিনোদনকেন্দ্র ভর্তি পরীক্ষায় বহিষ্কার হয়ে ববির ৪ স্টাফকে মারধর, পরীক্ষার্থীকে পুলিশে আটক।  পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চালককে কুপিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদ, বরিশালের বিনম্র শ্রদ্ধা ‎মোংলা বন্দরে চলতি অর্থবছরের ৭ মাসে রেকর্ড পরিমাণ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং। বাসে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ছয়জন গ্রেফতার থানা   চাঁদপুরের ইব্রাহিমপুর চরে থামছে না মাটিখেকো ভেকুর তাণ্ডব ঝালকাঠিতে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ বিএনপি কার্যালয়ে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে নিহত-১, আহত ১০

বরিশালে প্রদর্শনীখেতে রোপণের জন্য নিম্নমানের খাবার আলু দিল কৃষি অফিস

প্রতিনিধি / ১৬১ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আলু প্রদর্শনী খেতের জন্য কৃষি অফিস থেকে নিম্নমানের খাবার আলু বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। বীজ আলুতে অঙ্কুরোদ্‌গম না হওয়ায় উপকারভোগী কৃষকেরা খেত প্রস্তুত করে বিপাকে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানা গেছে, উপজেলার কৃষকদের মাঝে আলু প্রদর্শনী খেতের জন্য রত্নপুর ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের চাষি আমল হালদার, পশ্চিম মোল্লাপাড়া গ্রামের চাষি দশরত হালদার, একই গ্রামের মকবুল হোসেন জমাদ্দার, বাকাল ইউনিয়নের বড়মগরা গ্রামের চাষি তরনী শিকারি ও বাকাল গ্রামের যতীন্দ্রনাথ মিস্ত্রিকে পাঁচজন আলু চাষিকে নির্ধারণ করেছে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।

সম্প্রতি এসব চাষির প্রত্যেককে ইউরিয়া ২৫ কেজি, পটাশ ৩০ কেজি, জৈবসার ১৪ কেজি, ডিএফপি ২০ কেজি, দস্তা ১ কেজি, জিং ১ কেজি ও বীজ আলু ২০০ কেজি দেওয়া হয়।

উপকারভোগী কৃষকেরা জানান, চলতি মৌসুমে চাষিরা বীজ আলু রোপণের জন্য জমি চাষ ও সার দিয়ে প্রস্তুত করেন। চাষিরা বীজ আলুর বস্তা খুলে কাটা, পচা ও নিম্নমানের খাবার আলু দেখতে পান।

বীজ আলুতে অঙ্কুরোদ্‌গম হয়নি। পরিবর্তে নিম্নমানের আলু বিতরণ করায় চাষিরা আলু প্রদর্শনীর খেতে আলু রোপণ করতে পারছেন না। চাষিরা টাকা খরচ করে জমি প্রস্তুত করলেও কৃষি অফিসের দেওয়া নিম্নমানের আলুর বীজ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা।

উপকারভোগী চাষি তরনী শিকারি বলেন, ২৫-৩০ বছর ধরে আলু চাষ করে আসছি। আগে বাজার থেকে কেনা ও সরকারিভাবে পাওয়া আলুর বীজের বস্তায় কোম্পানির নাম, আলুর জাত, মেয়াদ ও বস্তার মুখে মেশিনের সেলাইসহ টোকেন লাগানো থাকত। এবারের আলুর বস্তায় এসব কিছুই নেই। মনে হয় বাজার থেকে খাবার আলু তিনে দিয়েছে কৃষি অফিস।

নিম্নমানের খাবার আলু পেয়েছেন বলে জানান উপকারভোগী আলু চাষি মকবুল হোসেন জমাদ্দার ও দশরত হালদার। তাঁরা বলেন, কৃষি অফিসের প্রদর্শনীর জন্য দেওয়া আলুতে কোনো অঙ্কুরোদ্‌গম হয়নি।

বীজ আলু না দিয়ে বাজার থেকে কিনে নিম্নমানের খাবার আলু বিতরণ করেছে। এই আলু রোপণ করলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব। আলু চাষের জন্য আমরা জমি প্রস্তুত করে ফেলেছি। আলু রোপণের জন্য প্রস্তুত করা জমিতে অন্য কোনো ফসল চাষ করা সম্ভব নয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পিযুষ রায় বলেন, বিএডিসির (বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন) বীজ আলু পাওয়া না যাওয়ায় জয়পুরহাট থেকে বীজ আলু কিনে প্রদর্শনীর চাষিদের মাঝে সরবরাহ করা হয়েছে। চাষিরা যদি এই আলু রোপণে অনীহা প্রকাশ করেন তাহলে চাষিদের আলু পরিবর্তন করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারিহা তানজিন বলেন, কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে বীজ আলু দেখে চাষিদের সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/