• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
উৎসব এলেই বাড়ে ভোগান্তি: বেপরোয়া যানবাহনে বিপর্যস্ত বরিশালের বিনোদনকেন্দ্র ভর্তি পরীক্ষায় বহিষ্কার হয়ে ববির ৪ স্টাফকে মারধর, পরীক্ষার্থীকে পুলিশে আটক।  পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চালককে কুপিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদ, বরিশালের বিনম্র শ্রদ্ধা ‎মোংলা বন্দরে চলতি অর্থবছরের ৭ মাসে রেকর্ড পরিমাণ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং। বাসে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ছয়জন গ্রেফতার থানা   চাঁদপুরের ইব্রাহিমপুর চরে থামছে না মাটিখেকো ভেকুর তাণ্ডব ঝালকাঠিতে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ বিএনপি কার্যালয়ে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে নিহত-১, আহত ১০

মুন্সিগঞ্জে দুই শিশুসন্তানসহ মায়ের আত্মহত্যা

প্রতিনিধি / ৬৭৮ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

শহিদ শেখ মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ঋণের বোঝা সইতে না পেরে দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন নিরুপায় মা। রবিবার সকালে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে এ ঘটনা ঘটে। ছেলে-মেয়েকে খাবারের সাথে বীষ প্রয়োগ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পরে মা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ। – সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের উত্তর ইসলামপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী অলি উল্লাহর স্ত্রী সালমা বেগম। স্বামী অলি উল্লাহ ঋণ নিয়ে সৌদি আরব যান। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে কয়েকটি এনজিও এবং ব্যক্তি পর্যায়ে সালমা বেগমের নামে অন্তত ১৫ লাখ টাকা ঋণ করেন তার পরিবার। সেই ঋণের বোঝা সইতে না পেরে সন্তানদের নিয়ে আত্মহত্যা করে সালমা বেগম। স্থানীয় ও স্বজনরা জানান ঋণের টাকা বেশি হয়ে যাওয়ায় কুল-কিনারা না পেয়ে সে সন্তানদের নিয়ে আত্মহত্যা করে। নিহত ছেলে সন্তান তাওহীদ (০৭) দ্বিতীয় শ্রেণি এবং মেয়ে সাইমুনা(১০) চর সোনাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েরর পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জানা যায় অলি উল্লাহ প্রায় ৭ বছর আগে স্ত্রী ও ছেলে মেয়ে কে রেখে সৌদি আরব চলে যান। যাওয়ার সময় প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ঋণ করে যান বিভিন্ন এনজিও ও মহাজনের কাছে। বিদেশে গিয়ে তেমন সুবিধা করতে না পারায় ঋণের তুলনায় ইনকাম কম থাকায় বাড়তে থাকে ঋণের বোঝা। ঋণের জন্য বাড়িতে এসে প্রায় চাপ দিতো এনজিও কর্মীরা। আত্মহত্যার আগের দিন শনিবার রাতে একাধিক এনজিও কর্মীরা এসে বাড়ি এসে শাসিয়ে যায় যায়। এবং পর দিন এসে টাকা নিয়ে যাবে বলেও হুমকি দিয়ে যায় এনজিও কর্মীরা। সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান ঋণের ঘানি টানতে গিয়েই এই মর্মান্তিক ঘটনা নিহত সালমা বেগম পপি,এসএস,পেইজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার, সাজেদা ও শক্তিসহ বেশ কয়েকটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলো বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/