• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
উৎসব এলেই বাড়ে ভোগান্তি: বেপরোয়া যানবাহনে বিপর্যস্ত বরিশালের বিনোদনকেন্দ্র ভর্তি পরীক্ষায় বহিষ্কার হয়ে ববির ৪ স্টাফকে মারধর, পরীক্ষার্থীকে পুলিশে আটক।  পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চালককে কুপিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদ, বরিশালের বিনম্র শ্রদ্ধা ‎মোংলা বন্দরে চলতি অর্থবছরের ৭ মাসে রেকর্ড পরিমাণ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং। বাসে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ছয়জন গ্রেফতার থানা   চাঁদপুরের ইব্রাহিমপুর চরে থামছে না মাটিখেকো ভেকুর তাণ্ডব ঝালকাঠিতে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ বিএনপি কার্যালয়ে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে নিহত-১, আহত ১০

বরিশালে বাড়ছে রোটা ভাইরাস: আক্রান্তদের অর্ধেকই শিশু

প্রতিনিধি / ১১৮ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালে শীতকালীন রোগের তালিকায় নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। সাধারণত গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও চলতি শীত মৌসুমে বরিশাল জেনারেল (সদর) হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে বয়স্কদের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১৫ জন রোগী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, যার প্রায় অর্ধেকই শিশু। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মূলত ‘রোটা ভাইরাস’ সংক্রমণের কারণেই বছরের শুরুতে এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত বেড মাত্র ৪টি। তবে রোগীর চাপ সামাল দিতে অতিরিক্ত আরও ৮টি বেড যুক্ত করে মোট ১২টি বেডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এরপরও প্রতিদিন ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী আসায় অনেককে ওয়ার্ডের মেঝেতে (ফ্লোরিং) থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের স্বজনরা জানান, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের প্রথমে বমি ও পরে ডায়রিয়ার উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। অনেক শিশু গত এক সপ্তাহ ধরে অসুস্থ। স্থানীয়ভাবে ওষুধ খাইয়ে কাজ না হওয়ায় তারা হাসপাতালে ভিড় করছেন।

ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ টুম্পা রিনী জানান, জানুয়ারিতে সাধারণত রোগী কম থাকে, কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। তবে রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মলয় কৃষ্ণ বড়াল বলেন, “রোটা ভাইরাসের কারণেই এই সময়ে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। তবে অভিভাবকদের সচেতন হওয়া জরুরি।”

তিনি শিশুদের গরম কাপড় পরানো, বিশুদ্ধ পানি পান করানো এবং খাবার ঢেকে রাখার পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরামর্শ দেন। হাসপাতালের তথ্যমতে, গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৭০ জন ডায়রিয়া রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। গত এক বছরে এই ওয়ার্ডে মোট ৬ হাজার ২৭৩ জন রোগী সেবা নিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/