• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
উৎসব এলেই বাড়ে ভোগান্তি: বেপরোয়া যানবাহনে বিপর্যস্ত বরিশালের বিনোদনকেন্দ্র ভর্তি পরীক্ষায় বহিষ্কার হয়ে ববির ৪ স্টাফকে মারধর, পরীক্ষার্থীকে পুলিশে আটক।  পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চালককে কুপিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদ, বরিশালের বিনম্র শ্রদ্ধা ‎মোংলা বন্দরে চলতি অর্থবছরের ৭ মাসে রেকর্ড পরিমাণ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং। বাসে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ছয়জন গ্রেফতার থানা   চাঁদপুরের ইব্রাহিমপুর চরে থামছে না মাটিখেকো ভেকুর তাণ্ডব ঝালকাঠিতে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ বিএনপি কার্যালয়ে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে নিহত-১, আহত ১০

বেনাপোলে হুন্ডির ১৭ লাখ টাকাসহ ভারতীয় দুই নারী আটক

প্রতিনিধি / ১১৭ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বেনাপোল চেকপোস্টে ১৭ লাখ হুন্ডির টাকাসহ ভারতীয় দুই নারীকে আটক করেছে কাস্টমস কর্মকর্তারা।রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভারত থেকে আসার পর বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে স্ক্যানিং এর সময় তাদের ব্যাগ তল্লাশি করে বাংলাদেশি ১৭ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ সময় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করে। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটকরা হলেন, ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ থানার হরিদাসপুর রায়পুর গ্রামের আনন্দ বৈদ্যর স্ত্রী রিনা বৈদ্য (৩৭) ও একই জেলার বাগদা থানার কুলিয়া এলাকার মৃত সানোয়ার শাহাজীর স্ত্রী মুক্তি শাহাজি (৫৪)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানায়, ব্যবসায়ী ভিসা নিয়ে তারা প্রতি লাখ টাকায় ৩০০ টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা ছিল। তারা আরও জানান, বেনাপোল ইমিগ্রেশন পার হওয়ার একটি ছেলের কাছে টাকার ব্যাগ হস্তান্তরের কথা ছিল। ছেলেটির পরিচয় তারা জানেন না।

এ ঘটনায় আটক ভারতীয় নারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার অতুল গোস্বামী জানান, ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কাস্টমসের স্ক্যানিং তল্লাশি কেন্দ্রে তাদের ব্যাগ তল্লাশির জন্য দিলে সেখানে ১৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়।

টাকার উৎস ও বাংলাদেশে আনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এ কারণে ডিটেনশন মেমো (ডিএম) মূলে টাকাগুলো জব্দ করা হয়। তবে পরে ফেরত যাওয়ার সময় বৈধ উৎস ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারলে আইন অনুযায়ী টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/