• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
উৎসব এলেই বাড়ে ভোগান্তি: বেপরোয়া যানবাহনে বিপর্যস্ত বরিশালের বিনোদনকেন্দ্র ভর্তি পরীক্ষায় বহিষ্কার হয়ে ববির ৪ স্টাফকে মারধর, পরীক্ষার্থীকে পুলিশে আটক।  পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চালককে কুপিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদ, বরিশালের বিনম্র শ্রদ্ধা ‎মোংলা বন্দরে চলতি অর্থবছরের ৭ মাসে রেকর্ড পরিমাণ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং। বাসে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ছয়জন গ্রেফতার থানা   চাঁদপুরের ইব্রাহিমপুর চরে থামছে না মাটিখেকো ভেকুর তাণ্ডব ঝালকাঠিতে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ বিএনপি কার্যালয়ে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে নিহত-১, আহত ১০

লাশ আটকে সম্পত্তির ভাগবাঁটোয়ারা, ২৪ ঘণ্টা পর দাফন

প্রতিনিধি / ২১৭ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক ব্যক্তির মরদেহ দাফনের আগে ২৪ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। সোমবার (২৮ এপ্রিল) উপজেলার সুন্দরপুর ইউপির বড় মরাপাগলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুন্দরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান।

মৃত ব্যক্তির নাম মাজেদ বিশ্বাস (৫০)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাজেদ বিশ্বাসের প্রথম স্ত্রীর ১০ সন্তানের মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। বর্তমানে জীবিত সাত সন্তানের মধ্যে চার মেয়ে ও তিন ছেলে। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর প্রায় ২০ বছর আগে মাজেদ হামফুল বেগমকে বিয়ে করেন, যার কোনো সন্তান নেই। হামফুল মাজেদের ছোট সন্তানদের যত্নে বড় করেন। মাজেদের দুই ছেলে লতিফুর রহমান ও আবদুল জাব্বার পুলিশে চাকরি করেন।

গত ছয় মাস ধরে মাজেদ অসুস্থ থাকায় তার দুই ছেলে চিকিৎসার কথা বলে তাকে অন্যত্র নিয়ে যান এবং বাবার সম্পত্তি নিজেদের ও এক ভাতিজার নামে রেজিস্ট্রি করে নেন। এ ছাড়া, গত ১৬ এপ্রিল মাজেদের নামে হামফুল বেগমের কাছে একটি তালাকনামা পাঠানো হয়, যা তিনি গ্রহণ করেননি। এ নিয়ে হামফুল ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন, এবং ৫ মে সালিশের দিন নির্ধারিত হয়।

এর মধ্যে মাজেদের মৃত্যু হলে তার দুই ছেলে মরদেহ গ্রামে নিয়ে আসেন। কিন্তু হামফুল বেগম স্বজন ও এলাকাবাসীকে নিয়ে দাফনে বাধা দেন। সোমবার সকাল ও বিকেলে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে দুই দফা সালিশে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে সম্পত্তি অংশীদারদের মধ্যে বণ্টনের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর মরদেহ দাফন করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে মাজেদ বিশ্বাসের ছেলে লতিফুর রহমানের মুঠোফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান বলেন, ঘটনা শুনে পুলিশ টিম পাঠিয়েছিলাম। সালিশে মীমাংসা হয়ে লাশ দাফনের কথা জেনেছি। অভিযুক্ত দুই ছেলের পুলিশে চাকরির কথা নিশ্চিত করেছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/