• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
উৎসব এলেই বাড়ে ভোগান্তি: বেপরোয়া যানবাহনে বিপর্যস্ত বরিশালের বিনোদনকেন্দ্র ভর্তি পরীক্ষায় বহিষ্কার হয়ে ববির ৪ স্টাফকে মারধর, পরীক্ষার্থীকে পুলিশে আটক।  পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চালককে কুপিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদ, বরিশালের বিনম্র শ্রদ্ধা ‎মোংলা বন্দরে চলতি অর্থবছরের ৭ মাসে রেকর্ড পরিমাণ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং। বাসে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ছয়জন গ্রেফতার থানা   চাঁদপুরের ইব্রাহিমপুর চরে থামছে না মাটিখেকো ভেকুর তাণ্ডব ঝালকাঠিতে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ বিএনপি কার্যালয়ে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে নিহত-১, আহত ১০

দিল্লিতে তীব্র পানির সংকট, বিপাকে কয়েক লাখ বাসিন্দা

প্রতিনিধি / ১১৩ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: ভারতের রাজধানী দিল্লিতে যমুনা নদীর পানিতে মাত্রাতিরিক্ত অ্যামোনিয়া ও শিল্পবর্জ্যের কারণে ভয়াবহ পানি সংকট দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে শহরের লাখ লাখ মানুষ পানির অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। কোথাও পানি সরবরাহ বন্ধ, আবার কোথাও কল দিয়ে আসছে দুর্গন্ধযুক্ত কালো পানি।

দিল্লি পানি বোর্ড জানিয়েছে, যমুনা নদীতে অ্যামোনিয়ার মাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় শহরের ৯টি প্রধান পানি শোধনাগারের মধ্যে ৬টিই সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে। এর ফলে অন্তত ৪৩টি এলাকার প্রায় ২০ লাখ মানুষ সরাসরি পানি সংকটে পড়েছেন। দিল্লির পানির প্রায় ৪০ শতাংশই আসে যমুনা থেকে, অথচ এই নদীর দূষণের ৭৬ শতাংশই ঘটে দিল্লির সীমানায়।

উত্তর-পশ্চিম দিল্লির বাসিন্দাদের অবস্থা সবচেয়ে করুণ। শর্মা এনক্লেভের ৫৫ বছর বয়সী রবীন্দর কুমার জানান, তিন দিনে মাত্র এক ঘণ্টার জন্য পানি আসে, যা অত্যন্ত নোংরা ও ব্যবহারের অনুপযোগী। শশী বালা নামের এক বৃদ্ধা জানান, বাধ্য হয়ে দূষিত পানি দিয়ে কাপড় ধোয়ার ফলে তার ত্বকে চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। অনেকেরই বোতলজাত পানি কিনে খাওয়ার সামর্থ্য নেই।

সংকটের মূল কারণ হিসেবে রয়েছে শিল্পকারখানার বিষাক্ত বর্জ্য, নদীর পানিতে ভেসে থাকা বিষাক্ত সাদা ফেনা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ। দিল্লি পানি বোর্ড এই সংকটের জন্য অবৈধ সংযোগ ও বুস্টার পাম্পকে দায়ী করলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে পয়ঃনিষ্কাশন পরিশোধন ক্ষমতা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ১৯৯৩ সাল থেকে যমুনা অ্যাকশন প্ল্যানে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও নদীর অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি।
সূত্র : সিএনএন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/